সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১১ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন সোমবার, জাতিসংঘে ভাষণ ২৪ সেপ্টেম্বর শান্তিগঞ্জে সহকারী শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন সভাপতি রানা, সম্পাদক ফয়জুল স্বরূপ চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উপলক্ষে লন্ডনে প্রস্তুতি সভা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অভূতপূর্ব গতিতে এগিয়ে চলছে শান্তিগঞ্জে পিকআপের ধাক্কায় মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি গুরুতর আহত শান্তিগঞ্জে পিএফজির সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের মতবিনিময় শান্তিগঞ্জে ঐতিহাসিক নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে তবলীগ জামাতের মুসল্লীদের নগদ অর্থ ও মোবাইল চুরি-থানায় অভিযোগ দায়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড সিলেটে রাষ্ট্রপতি:আমরা ফ্যাসিস্ট সরকারকে হটিয়ে গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি, এখন গণতন্ত্রকে রক্ষা করাই প্রধান কাজ

সংবিধান, আইন পরিবর্তন মিনিটের ব্যাপার-ড.কামাল

সংবিধান, আইন পরিবর্তন মিনিটের ব্যাপার-ড.কামাল

জগন্নাথপুর নিউজ ডেস্ক::
প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সংলাপের আমন্ত্রণের চিঠি পাওয়ার পর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেন বলেছেন, শেখ হাসিনাকে তিনি বলবেন তারা খোলা মন নিয়ে কথা বলতে এসেছেন, কোনো দলীয় স্বার্থসিদ্ধির জন্য নয়।
তিনি বলেন, বলব জাতীয় স্বার্থে একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আমরা যেমন চাই, আপনিও চান…।
আমরা উভয়ে সেটাই চাই, তাহলে কেন উপায় বের করা যাবে না।
তিনি বলেন, লক্ষ্য সবার অংশগ্রহণে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন। সংবিধান ও আইন পরিবর্তন তো কোনো ব্যাপারই নয়। এক মিনিটেই তা হতে পারে। মঙ্গলবার বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ড. কামাল এ সব কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গণভবনে রাজনৈতিক সংলাপের আমন্ত্রণ জানিয়ে ড. কামাল হোসেনকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে চিঠি পাঠিয়েছেন তাতে নির্বাচন নিয়ে সরকারের মৌলিক অবস্থানের ইঙ্গিত স্পষ্ট।
চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, সংবিধানসম্মত সব বিষয়ে আলোচনার জন্য তার দ্বার সর্বদা উন্মুক্ত। ঐক্যফ্রন্টের সাত দফা দাবি নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের নেতা ও মন্ত্রীরাও বেশ কিছুদিন ধরে ক্রমাগত বলছেন, এসব দাবির অনেকগুলো মানার প্রশ্নই ওঠে না, কারণ বর্তমান সংবিধানে এসবের কোনো সুযোগ নেই।
ঐক্যফ্রন্টের প্রধান দাবি ‘সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন’ দিনের পর দিন সরকারের পক্ষ থেকে উড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সংলাপের চিঠিতে সংবিধানসম্মত শব্দজুড়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী কি তাহলে তাদের সেই অবস্থানেই অনড় থাকার বার্তা দিয়েছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে ড. কামাল বলেন, আলোচনার মাধ্যমেই বোঝা যাবে সরকার কতটা করার জন্য প্রস্তুত, কোন কোন ইস্যুতে তাদের দ্বিধা আছে। তবে একই সঙ্গে কিছুটা তো বুঝতে পারছি তারা সংবিধানের বিষয়গুলোকে তুলতে চাইবেন।
কিন্তু এ সংবিধানকে তো তারা (সরকার) সংশোধন করেছেন। সংকীর্ণ স্বার্থে ব্যাপারগুলো যোগ করেছেন। ড. কামাল বলেন, আমরা তাদের বলব, এটা তো সংবিধান নয়, এটা তো সংশোধনী…।
অবশ্যই নির্বাচন সংবিধানসম্মত হবে। অসাংবিধানিকভাবে তো নির্বাচন করা যায় না। কিন্তু প্রশ্ন হল কিভাবে সংশোধনী থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তিনি বলেন, সংবিধান ও আইন পরিবর্তন তো কোনো ব্যাপারই নয়। এক মিনিটেই তা হতে পারে।
তিনি বলেন, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন করার যে দাবি তারা দিয়েছেন, সেটা একবারেই নতুন কিছু নয়। শেখ হাসিনা যখন বিরোধী দলে ছিলেন তখন তিনি সেই একই কথা বলেছেন।
সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের সুনির্দিষ্ট কৌশল নিয়ে বেশি কথা বলতে রাজি হননি ড. কামাল। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার যেহেতু আলোচনা, সুতরাং বেশি কিছু বলতে চাই না। আমরা আশা করব সরকার আমাদের সাত দফা দাবি মেনে নিক।
কিন্তু সরকার যে নমনীয় হবে তারা সেটা আশা করছেন কীভাবে?
সরকারের ওপর তো চাপ নেই- এমন প্রশ্নের জবাবে ড. হোসেন বলেন, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করার জন্য অবশ্যই সরকার চাপে রয়েছে। গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করাটাই চাপ। তারা জানেন যে নির্বাচনে মানুষ অংশগ্রহণ করে না, সেই নির্বাচন থেকে কিছু পাওয়া যায় না। এই উপলব্ধি নিশ্চয়ই তাদের হয়েছে। তা না হলে তো আমাদের আলোচনায় ডাকার কোনো দরকার তো তাদের ছিল না।
সংলাপে তারা নিজেরা কতটা নমনীয় হবেন- এমন প্রশ্নে ড. কামাল বলেন, আগে থেকে কোনো অনুমান করতে চাই না। লক্ষ্য একটাই নিরপেক্ষ একটা নির্বাচন। আমরা উভয়ে সেটাই চাই।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved © 2017-2026 Jagannathpurnews.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com